লেখক: ই-কমার্স বার্তা
অনেকের সকালে নাস্তা করেই অফিসে ছুটে যেতে হয়। কাজের প্রেসার সামলিয়ে নিজেদেরকে প্রাণচঞ্চল রাখতে ভূমিকা নেয় সঙ্গে থাকা ব্যাগের জিনিসপত্র। শীতে ব্যবহৃত ব্যাগটা একটু বড় হলে ভালো। এ কারণে সেই ব্যাগে পরিকল্পনা অনুযায়ী জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখা জরুরি। শীতে আমাদের ত্বকের প্রতি বেশি যত্নশীল হতে হয়। শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক হয়ে যায় খসখসে। তাই ব্যাগে রাখতে পারেন ময়েশ্চারাইজার। তৈলাক্ত ত্বক হলে রাখুন অয়েল ফ্রি ময়েশ্চারাইজার। কম্বিনেশন ত্বকের টি জনে অয়েল ফ্রি ও বাকি অংশে অয়েল বেসড ময়শ্চারাইজার লাগাতে পারেন। ব্যস্ততার জন্য অনেকে বাসা থেকে সানস্ক্রিন দিতে ভুলে যান। সেক্ষেত্রে রাস্তায় বা গাড়িতে সানস্ক্রিন লাগাতে চেষ্টা করুন। কারণ সকালে ফাউন্ডেশন ব্যবহার সম্ভব হয়…
হাতে একটি স্মার্টফোন থাকা মানেই পুরো বিশ্বের খবর জানতে পারবেন মুহূর্তেই। শীতে সবারই কমবেশি ঠান্ডা-কাশি লেগেই থাকে। মূলত বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়। ফলে শীতের বাতাস বেশি শুষ্ক। তবে আপনার ঘরের বাতাস কখন কেমন, কতটুকু দূষিত তা জানতে পারবেন ফোনের মাধ্যমেই। বায়ু দূষণ বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে। বিশেষ করে যারা ঢাকায় আছেন। বায়ু দূষণ থেকে বাঁচতে মাস্ক ব্যবহার করছেন অনেকেই। কিন্তু বাড়িতে ঢুকলেও কি বায়ু দূষণ থেকে মুক্তি পান? নাকি একই অবস্থা আপনার ঘরেও? অনেক জায়গায় একিউআই লেভেল ৭০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। একিউআই অর্থাত্ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেস্ক হলও একটি স্কেল, যা স্বাস্থ্যের ওপর বাতাসের মানের প্রভাব বোঝার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ৫১-১০০ হলে…
বাংলাদেশের মোট দেশজ উত্পাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমার পূর্বাভাস দিল বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাবে চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। এ বছর মূল্যস্ফীতির চাপ থাকারও আশঙ্কা করা হয়েছে। গতকাল প্রকাশিত গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস শীর্ষক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ষাণ্মাসিক ভিত্তিক এই প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলছে, চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকবে। খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকাই এর মূল কারণ। ডলারের দাম বাড়তে থাকায় আমদানি ব্যয় বাড়ছে। ফলে আমদানিকৃত খাদ্যপণ্য এবং জ্বালানি কিনতে বাড়তি ব্যয় করতে হচ্ছে। সরকার আমদানি নিয়ন্ত্রণ এবং মুদ্রানীতি সংকোচনমূলক করার প্রভাব অর্থনীতিতে পড়েছে। উল্লেখ্য, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সরকার জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৭ দশমিক…
ডিসেম্বরে ৪.৯০ বিলিয়ন ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, যা ছয় মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। নভেম্বরের তুলনায় ডিসেম্বরে এলসি খোলার পরিমাণ ৭ শতাংশ কমেছে। গত জুনে ৪.৮৭ বিলিয়ন ডলারের এলসি খোলা হয়েছিল। গত কয়েক মাস ধরে আমদানি কমার কারণে ডিসেম্বরে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তি হয়েছে ৪.৫৩ বিলিয়ন ডলারের, যা ৩৭ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ২০২০ সালের নভেম্বরে এলসি নিষ্পত্তি হয়েছিল সর্বনিম্ন ৪.৪১ বিলিয়ন ডলার। ব্যাংকাররা বলছেন, বছরখানেক ধরে গড়ে ৫ থেকে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারের এলসি খোলা হচ্ছে। ফলে আগের তুলনায় অনেক চাপ কমে এসেছে। ডিসেম্বরে মূলত পরিশোধের চাপ কম থাকার কারণে এলসি নিষ্পত্তি কমেছে। ব্যাংকগুলো এখন সাইট…
দীর্ঘদিন ধরেই নিত্যপণ্য, কাঁচাবাজার, মাছ-মাংস, এমনকি মসলাজাত পণ্যের দামে হাঁসফাঁস অবস্থা সাধারণ মানুষের। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পণ্যের দাম কিছুটা ওঠানামা করলেও বাজার ছুটছে ঊর্ধ্বমুখী। ভরা মৌসুমে শীতকালীন সবজি লাগামহীন দামে বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীত মৌসুমেও অধিকাংশ সবজির দাম আকাশছোঁয়া। এছাড়া আগের মতোই উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে মাছ, চিনি, চাল, আটা ও ডাল। চলতি সপ্তাহে নতুন করে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। বাজারে সবজির মধ্যে নতুন আলুর ছড়াছড়ি থাকলেও দাম কমছে না। ৭০-৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে আলু। চড়া বাজারে নতুন পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১১০ টাকা, পুরাতন পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১৩০ টাকা।…
করোনার সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতিবছরই নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে দেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্প। এরপরও তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ছে। বদৌলতে প্রতিবছর এই খাতে গড়ে ১৩৪টি নতুন কারখানা স্থাপিত হচ্ছে। তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ছয় বছরে দেশে ৬০৩টি কারখানা সংগঠনটির অস্থায়ী সদস্যপদ নিয়েছে। এর মধ্যে স্থায়ী সদস্যপদ পেয়েছে ৫৬৫টি কারখানা (বছরে গড়ে ৯৪টি) স্থায়ী পদ পেয়েছে। এসব কারখানার মধ্যে অর্ধেকই হয়েছে গত দুই বছরে, অর্থাৎ ২০২২ ও ২০২৩ সালে। পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলেন, করোনাভাইরাসের প্রথম ঢেউয়ে একের পর এক ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত হওয়ায় পোশাক রপ্তানি বড় ধরনের হুমকির মধ্যে…
তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের বড় গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। কয়েক মাস ধরে বাজারটিতে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়—এমন সংবাদ আসছে। সর্বশেষ খবর, বিদায়ী বছরের প্রথম ১১ মাসে এই বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ধস নেমেছে। বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ১৮ শতাংশের গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। বিদায়ী বছরের জানুয়ারি-নভেম্বর পর্যন্ত ১১ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৭৯ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি এর আগের বছরের তুলনায় একই সময়ের তুলনায় এক-চতুর্থাংশ (২৪ দশমিক ৯১ শতাংশ) কম। ২০২২ সালের প্রথম ১১ মাসে দেশটিতে ৯০৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ। অবশ্য শুধু বাংলাদেশ নয়, যুক্তরাষ্ট্রে অন্য পাঁচ শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক দেশের রপ্তানিও সাড়ে ২১ থেকে প্রায় ২৬ শতাংশ পর্যন্ত…
উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মার্কিন ডলারের পাশাপাশি স্থানীয় টাকার সংকট, বৈদেশিক লেনদেনে ভারসাম্যহীনতা এবং নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাংক খাত—মোটাদাগে এসবই হচ্ছে এখন দেশের আর্থিক খাতে প্রধান সমস্যা। এসব সমাধানের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের। তবে প্রভাবশালীদের চাপের কারণে খাতটি পুরোপুরি তদারকিতে রাখতে পারছে না নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বছরে দুবার মুদ্রানীতির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা রক্ষার চেষ্টা করে থাকে। সে অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগামী সপ্তাহে জানুয়ারি-জুন মেয়াদের জন্য নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আগে থেকে মুদ্রানীতির খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করা হলেও নতুন অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে তবেই কাজটি করা হবে। এবারও নীতি সুদের হার আরও বাড়িয়ে…
যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন যাতে ভারতের ওষুধ কোম্পানিগুলোর পরিদর্শন ও নিরীক্ষা দ্রুত করে, সে জন্য জোর তাগাদা দেবে ভারত। সেই সঙ্গে ভারতের প্রাকৃতিক চিংড়ি রপ্তানিতে যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, তা–ও তুলে নিতে অনুরোধ জানানো হবে। আগামীকাল শুক্রবার ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ইন্ডিয়া-ইউএস ট্রেড পলিসি ফোরামের বৈঠকে দিল্লি এসব বিষয় আলোচনায় তুলবে বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। ফোরামের বৈঠকে যোগ দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি ক্যাথেরিন টাই। এর আগে এক ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ প্রযুক্তিপণ্য ও প্রযুক্তি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। সেই সঙ্গে ভারত নিজেদের জন্য আবারও জিএসপি সুবিধা চাইবে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়ার সংবাদে বলা হয়েছে। জিএসপি সুবিধা পেলে যুক্তরাষ্ট্রের…
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের সূচকে এ বছর একধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী পাসপোর্টের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৯৭তম। গত বছরের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯৮তম। এবারের তালিকায় বাংলাদেশের সঙ্গে একই অবস্থানে আছে উত্তর কোরিয়াও। যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশিত সূচকে এসব তথ্য জানা গেছে। হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের ওয়েবসাইটে সূচকটি প্রকাশ করা হয়েছে। সূচকে প্রকাশ করা তথ্য বলছে, এখন বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা আগাম ভিসা ছাড়া বিশ্বের ৪২টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। গত বছর বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা আগাম ভিসা ছাড়া ৪০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারতেন। ওই সময় সূচকে বাংলাদেশের সঙ্গে একই অবস্থানে ছিল লিবিয়া ও উত্তর কোরিয়া। এ বছরের সূচকে সবচেয়ে…

