পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা সাত দিনের ছুটি শেষে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আবারও শুরু হয়েছে নিয়মিত কার্যক্রম। তবে ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে ব্যাংকগুলোতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় গ্রাহকের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্যভাবে কম, ফলে লেনদেনের পরিমাণও ছিল সীমিত।
মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে ব্যাংকিং লেনদেন শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলেছে, আর অফিস কার্যক্রম চালু ছিল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। দীর্ঘ ছুটির পর কর্মস্থলে ফিরে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। গ্রাহক উপস্থিতি কম থাকায় অনেকেই এই দিনটি তুলনামূলক স্বস্তিতেই পার করেছেন।
ব্যাংকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখনও অনেক গ্রাহক ছুটি কাটিয়ে রাজধানীতে ফেরেননি। ফলে প্রথম দিন লেনদেনের চাপ কম ছিল। তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং গ্রাহকের উপস্থিতি ধীরে ধীরে বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। ব্যাংকের পাশাপাশি অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিমা খাতেও একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে।
এদিন ব্যাংকে আসা গ্রাহকেরা মূলত নগদ অর্থ জমা ও উত্তোলন, চেক নিষ্পত্তি এবং আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করেছেন। ভিড় কম থাকায় অনেকেই দ্রুত ও নির্বিঘ্নে কাজ সম্পন্ন করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, ঈদের ছুটিকালীন সময়ে গ্রাহকদের সুবিধার্থে এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছিল। পাশাপাশি সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে বিশেষ নজরদারি চালানো হয়, যাতে গ্রাহকেরা কোনো ধরনের ভোগান্তিতে না পড়েন।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে দুই দিন কার্যক্রম চালু থাকার পর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আবারও টানা তিন দিনের ছুটি পড়ছে। ফলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগামী সপ্তাহের রোববার থেকে ব্যাংকিং কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক গতিতে ফিরে আসবে।


