নিজস্ব প্রতিবেদক | আবাসন ও রিয়েল এস্টেট
ঢাকার পূর্বাঞ্চল ঘিরে আবাসন ও পরিকল্পিত নগরায়নের পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাঞ্চন ও এর আশপাশের এলাকায় জমিভিত্তিক আবাসন প্রকল্পের প্রতি আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। এই অঞ্চলে রিমঝিম গ্রুপ তাদের আবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাদের ল্যান্ড প্রজেক্টের অবস্থান কাঞ্চন ব্রিজ থেকে প্রায় ২.৫ কিলোমিটার সামনে।
রিমঝিম গ্রুপের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আবাসন খাতে Rimjhim Town, Rimjhim City ও Harmony Park-এর তথ্য রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি Rimjhim Town-কে নিরাপদ, পরিকল্পিত ও টেকসই আবাসিক কমিউনিটি তৈরির লক্ষ্য নিয়ে গড়ে ওঠা তাদের ফ্ল্যাগশিপ রিয়েল এস্টেট উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছে। অন্যদিকে Rimjhim City-কে আরও বিস্তৃত ও সমন্বিত নগর উন্নয়নের উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
যোগাযোগ সুবিধাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্প
রিয়েল এস্টেট প্রকল্পে অবস্থান ও যোগাযোগব্যবস্থা ক্রেতাদের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রিমঝিম গ্রুপের দাবি অনুযায়ী, কাঞ্চন ব্রিজ থেকে প্রায় ২.৫ কিলোমিটার দূরত্বে প্রকল্পটির অবস্থান হওয়ায় এটি ঢাকার পূর্বাঞ্চলকেন্দ্রিক ভবিষ্যৎ আবাসন বিস্তারের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করছে।
বিশেষ করে জমি কেনার ক্ষেত্রে বর্তমান যোগাযোগব্যবস্থার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নগরায়ন, আশপাশের অবকাঠামো, সড়ক যোগাযোগ, নাগরিক সুবিধা এবং প্রকল্পের নিজস্ব উন্নয়ন পরিকল্পনা ক্রেতাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। প্রতিষ্ঠানটি এই প্রেক্ষাপটে প্রকল্পটির লোকেশন ও যোগাযোগ সুবিধাকে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে তুলে ধরছে।
পরিকল্পিত আবাসিক কমিউনিটির লক্ষ্য
রিমঝিম গ্রুপের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, তাদের আবাসন উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু জমি উন্নয়ন নয়; বরং পরিকল্পিত ও টেকসই আবাসিক কমিউনিটি গড়ে তোলা। Rimjhim Town-কে এ ধরনের আবাসিক উন্নয়নের ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প হিসেবে বর্ণনা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
গ্রুপটির আরেক উদ্যোগ Rimjhim City-কে Rimjhim Town-এর ধারণার আরও বিস্তৃত রূপ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে সমন্বিত নগর উন্নয়নের ধারণাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে Harmony Park-এর মাধ্যমে আবাসিক ও বাণিজ্যিক—দুই ধরনের সম্পত্তির চাহিদাকে সামনে রেখে কাজ করার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
শুধু আবাসন নয়, বহুমুখী ব্যবসায় রিমঝিম গ্রুপ
রিমঝিম গ্রুপের কার্যক্রম শুধু আবাসন খাতেই সীমাবদ্ধ নয়। তাদের অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপটির সঙ্গে আবাসন ও প্রপার্টি ডেভেলপমেন্টের পাশাপাশি হসপিটালিটি, মিডিয়া এবং শিল্প ও উৎপাদন খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে The Village Resort Ltd., দৈনিক নয়া শতাব্দী এবং মংলা ইপিজেডে পরিচালিত Jong Hyun Hi-Tech Ind. Co. Ltd.-এর তথ্য প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে উল্লেখ রয়েছে।
গ্রুপটির চেয়ারম্যান হিসেবে মো. বেলায়েত হোসেন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে ওয়ালিউর রহমানের নাম অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিচালক হিসেবে রয়েছেন মো. খোরশেদ আলম ও শামসুল আরেফীন সোহেল।
আবাসনের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ভাবনা
জমিভিত্তিক প্রকল্পে ক্রেতাদের একটি অংশ ভবিষ্যৎ বাড়ি নির্মাণের জন্য প্লট খোঁজেন, আবার অনেকেই দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ হিসেবে জমিকে বিবেচনা করেন। রিমঝিম গ্রুপও তাদের প্রকল্পকে আবাসন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার পাশাপাশি বিনিয়োগের সুযোগ হিসেবে উপস্থাপন করছে।
তবে যেকোনো জমি বা প্লট কেনার আগে প্রকল্পের অনুমোদন, জমির মালিকানা ও দলিলের ধারাবাহিকতা, খতিয়ান ও নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, প্রকল্পের লে-আউট, রাস্তার বাস্তব অবস্থা, ইউটিলিটি পরিকল্পনা, হস্তান্তরের সময়সীমা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের তথ্য যাচাই করা ক্রেতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
রিমঝিম গ্রুপের ভাষ্য, গ্রাহকের “স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ ও বিনিয়োগের বিশ্বস্ত সঙ্গী” হওয়ার লক্ষ্য নিয়েই প্রতিষ্ঠানটি তাদের আবাসন কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে।
কাঞ্চন ব্রিজের কাছাকাছি অবস্থান এবং ঢাকার পূর্বাঞ্চলের চলমান নগর সম্প্রসারণের প্রেক্ষাপটে প্রকল্পটি সম্ভাব্য ক্রেতাদের নজরে আসতে পারে। তবে প্রকল্পের প্লটের আকার, বর্তমান মূল্য, কিস্তি সুবিধা, মোট প্রকল্প এলাকা, অনুমোদনের বিস্তারিত এবং হস্তান্তরের সময়সীমা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য নিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের পরই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া সমীচীন।
রিমঝিম গ্রুপের প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে তাদের


