বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩

লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেডের পরিবেশনায় ১ম বাংলাদেশ ফিনটেক অ্যাওয়ার্ড ২৬টি অর্থ প্রযুক্তি উদ্ভাবনকে ১১ ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি দিয়েছে। অ্যাওয়ার্ডটির প্রথম সংস্করণ এ ১০০ এর অধিক প্রজেক্ট নমিনাশন থেকে পরবর্তীতে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত ৪টি বিচক্ষন জুরির মাধ্যমে বিজয়ী উদ্ভাবনগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসময় ফিনটেক এওয়ার্ড পায় বিকাশ, নগদ, আইপিডিসি, উপায় সহ আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

২৭ নভেম্বর (শনিবার) শেরাটন ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য ফিনটেক অ্যাওয়ার্ড ঘোষনা করা হয়। অনুষ্টানটির পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল উপায় এবং সহযোগিতায় ছিল দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

এ সময় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করেন আইসিটি বিভাগের এটুআই প্রোগ্রাম প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ড. দেওয়ান এম. হুমায়ুন কবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আইবিএ) এর পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মাদ আবদুল মোমেন,; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ডক্টর মুহাম্মদ আবদুল মঈন, ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) এর উপাচার্য প্রফেসর ইমরান রহমান, বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের পরিচালক ও ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা।

বাংলাদেশ ফিন্টেক ফোরাম ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা শরিফুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্যে বলেন, আমরা ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন বা উদ্ভাবন সম্পর্কে যে কথাই বলি না কেন আর্থিক উদ্ভাবনগুলোকে পুরো সমীকরণের কেন্দ্রে থাকতে হবে। ফিনটেক সামিটে, আমাদের মূল উদ্দেশ্য হল নতুন এবং আরও ভালো অর্থ প্রযুক্তির সমাধান খুঁজে বের করা যা একটি একক গোষ্টির পক্ষে না থেকে সকল শ্রেণীর লোককেদের সেবা করে।”

লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খাজা শাহরিয়ার উদ্বোধনি বক্তব্যে বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে আমরা বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখেছি কিন্তু এখনও ৫০% মানুষ আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আওতায় নেই এবং ফিনটেক আমাদের মতাে দেশে সেই ব্যবধান পূরণ করতে পারে।” সাইদুল এইচ খন্দকার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, উপায় বলেছেন, “ফিনটেক আর্থিক বাস্তুতন্ত্রের পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে চলেছে। নির্বিঘ্ন আর্থিক প্রযুক্তির সুবিধা পেতে, আমাদের অবশ্যই সেরা কাজগুলো শিখতে হবে এবং গ্রহণ করতে হবে।”

উল্লেখ্য এই সম্মেলনের থিম ছিল “বাংলাদেশের মানুষের জন্য ফিন্যান্সের ভবিষ্যত সম্ভাবনা তৈরি করা ” যার উদ্দেশ্য হল বর্তমান ফিনটেক কোম্পানিগুলাের জন্য জ্ঞান, সাফল্য এবং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা গ্রহন করার জন্য সহযােগিতামূলক সুযােগ প্রদান করার লক্ষ্যে, উদ্যোক্তাদের জন্য সংলাপ শুরু করার জন্য, ভবিষ্যৎ ফিনটেক কোম্পানিগুলির জন্য সঠিক নীতি কাঠামোর মাধ্যমে টেকসইভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে যেন বাংলাদেশ গ্লোবাল ফিনটেক স্পেসে কাজ করতে পারে সেই প্রত্যয়ে কাজ করা। সামিটটি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বক্তাদের সমন্বয়ে ৪টি কিনোত সেশন, ৪টি ‘ইন্সাইট সেশন, ৩টি প্যানেল আলােচনা এবং ২টি কেস স্টাডি আলোচনা নিয়ে গঠিত হয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে দেশের আর্থিক খাতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সরকারী ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ফিনটেক উৎসাহীরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ফিনটেক ফোরামের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়ােজনে এই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা ।
Attachments area

Leave A Reply

Exit mobile version